ব্যারিস্টার নিঝুম মজুমদার এর বায়োগ্রাফি, জীবনী, বেতন, স্ত্রী, পরিবার, উচ্চতা, ওজন,

ব্যারিস্টার নিঝুম মজুমদার এর বায়োগ্রাফি, জীবনী, বেতন, স্ত্রী, পরিবার, উচ্চতা, ওজন, বয়স, শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং ক্যারিয়ার

 

নিঝুম মজুমদারের বাড়ি কোথায়? নিঝুম মজুমদার জন্ম?

 

 

বাংলাদেশ / ইংল্যান্ড

 

 

নিঝুম মজুমদার উইকিপিডিয়া /নিঝুম মজুমদারের পরিচয়

 

আমার নাম নিঝুম মজুমদার। কেতাবী নাম গোলাম মারুফ মজুমদার। ডাক নাম নিঝুম। সে সূত্রেই নিঝুম মজুমদার। আমার বাবা বাংলাদেশ সূপ্রীম কোর্টের একজন আইনজীবি। গত ৪০ বছর ধরে তিনি আইন পেশায় সাফল্যের সাথে নিয়োজিত রয়েছেন। দুই ভাই ও তিন বোনের মধ্যে আমার অবস্থান তৃতীয়।

 

 

আমি এস এস সি ও এইচ এস সি পাশ করেছি বাংলাদেশের স্বনামধন্য স্কুল ও কলেজ ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল স্কুল/কলেজ থেকে। ২০০৩ সালে আমি ইংল্যান্ডে আসি। ইংল্যান্ডের ইউনিভার্সিটি অফ লন্ডন থেকে থেকে আমি ডিপ্লোমা ইন ল ও LLB ডিগ্রী সম্পন্ন করেছি এবং MBAসম্পন্ন করেছি গ্লিন্ডর ইউনিভার্সিটি, ওয়েলস থেকে।

 

 

নিঝুম মজুমদার ধর্ম

 

ইসলাম

 

 

মজুমদারের বংশের ইতিহাস

 

 

মোঘল ও ব্রিটিশ আমলে যারা এক বা একাধিক মৌজার অধিকর্তা ছিলেন তাদের মজুমদার বলা হতো। তথা মৌজার ভূস্বামীরা ‘মজুমদার’ হিসেবে অভিহিত হতেন। মজুমদার পদবির ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো Majumdar/Majumder/Mazumder. মজুমদার বাংলাদেশ, ভারত এবং পাকিস্তানে মুসলিম এবং হিন্দুদের পদবি হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

 

 

নিঝুম মজুমদার হারপিক

 

 

 

নিঝুম মজুমদারকে হারপিক মজুমদার বলায় এজন্য যে তিনি হারপিকের মতন দামী। যা মূলত টয়লেট পরিস্কারের

 

 

সময় ব্যবহৃত হয়।

 

 

নিঝুম মজুমদার একজন পেশায় আইনজীবী। নিজেকে সর্বদা আলোচনায় রাখতে পছন্দ করেন। কুত্তাও চিনতোনা তাকে। ইভ্যালি ডট কমের মামলা লড়তে গিয়ে আলোচনায় আসেন। এরপর যত বিতর্কিত বিষয় আছে সবকিছুতে উনি নাক গলান। এছাড়াও ইসলামকে কটাক্ষ করে কথা বলতে উস্তাদ এই ভদ্রলোক সব আকামের জায়গায় নাক গলান বলেই পাবলিক তার নাম দিয়েছে হারপিক মজুমদার। এখন লোকে এই নামেই উনাকে বেশ ভালো করে চিনে।

 

 

নিঝুম মজুমদার শশুর

 

 

আমার লেখা কিংবা আমার বক্তব্য পছন্দ না হলেই চট করে এসে যায় আমার শ্বশুর প্রসঙ্গ। আরে এই লোক তো ফ্রিডম পার্টির এজেন্ট, ফ্রিডম পার্টির জামাই, ফ্রিডম পার্টির অমুক বা তমুক।

 

 

আমি “ইন্টারন্যশনাল ক্রাইমস রিসার্চ ফাউন্ডেশন” একটি গ্লোবাল রিসার্চ অর্গানাইজেশনের প্রতিষ্ঠাতা। এই অর্গানাইজেশন আন্তর্জাতিক অপরাধ সম্পর্কিত বিষয়াদি ও এই জাতীয় নানাবিধ আদালতের আইন, কানুন, রায় ইত্যাদি নিয়ে গবেষনা করে থাকে। আমি এই অর্গানাইজেশনের আইনী গবেষনা দলের প্রধান হিসেবে কর্মরত রয়েছি।

 

 

আমি নাগরিকত্ব সূত্রে ইউনাইটেড কিংডম ও বাংলাদেশের দ্বৈত নাগরিক। বর্তমানে বসবাস করছি লন্ডনে।

 

 

 

 

২০১৮ সালে  আমার প্রথম গ্রন্থ প্রকাশিত হয়। গ্রন্থের নাম “একাত্তরের  ঘাতকদের বিচারে মুসলিম আইডেন্টিটির অপব্যবহার।

 

 

আমার স্ত্রী’ও পেশায় একজন ব্যারিস্টার। আমার এক পূত্র এবং এক কন্যা।  স্ত্রী, এক পূত্র ও এক কন্যা নিয়ে আমার পরিবার

 

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *