সাহিত্যিক আবু ইসহাক এর স্ট্যাটাস, বানী, উক্তি, ক্যাপশন ও কবিতা

সাহিত্যিক আবু ইসহাক এর স্ট্যাটাস, বানী, উক্তি, ক্যাপশন ও কবিতা

আজকে আমাদের আর্টিকেলটি শুরু করতে যাচ্ছে বিখ্যাত সাহিত্যের স্ট্যাটাস বানিয়ে অতি ক্যাপশন ও কবিতা সম্পর্কে আশা করি আমাদের এই পোষ্টের মাধ্যমে আপনারা জানতে পারবেন বিখ্যাত এই সাহিত্যিক সম্পর্কে। তিনি ছিলেন অসাধারণ প্রতিভার অধিকারী তিনি তার লেখনীর মাধ্যমে আলোড়ন সৃষ্টি করে গেছেন এই বাংলাদেশে এবং তিনি তার লেখার ধার এতটাই বেশি যে তিনি তার এই প্রতিভার মাধ্যমে পুরো পৃথিবীতে পরিচিত হয়েছিলেন। তাই আপনারা যারা আমাদের এই প্রতিবেদনটি করতেছেন আশা করি আমাদের এই প্রতিবেদনে যারা আপনারা আবু হিসাব সম্পর্কে নানান তথ্য গুলো জানতে পারবেন এবং আপনি বিখ্যাত মানুষের সম্পর্কে তথ্য গুলো জেনে আপনি আপনার রাখতে পারবেন। তাই এখনো যারা আমাদের ওয়েবসাইটটি ভিজিট করেনি তারা অতিশী করে আমাদের ওয়েবসাইটি ভিজিট করুন এবং বিখ্যাত এই সম্পর্কে অসাধারণ কিছু বানিয়ে আপনারা সুখে থাকুন। এই মনীষীর অসাধারণ কিছু গুন রয়েছে এই মানুষের লেখনি এত ভাল যে মানুষ এত তাড়াতাড়ি তার তাকে গ্রহণ করেছে যে সেটা ভাবাটাই অতুলনীয়। তাই আপনারা যারা এই সমস্ত আর্টিকেল নানান প্লাটফর্মে খুজতেছেন কিন্তু পাইতেছেন না তাদের জন্য আমরা কষ্ট করে এবং পরিশ্রম দিয়ে আমরা আজকের আর্টিকেলটি এবং প্রতিবেদনটি তৈরি করেছি যে আর্টিকেলটি অবশ্যই আপনাদের খুব মানবতা হবে আশা করছি।

আবুল ইসাকের  প্রাথমিক জীবন

 

প্রিয় দর্শক বন্ধু আজকে আমরা আপনাদের সামনে তুলে ধরব বিখ্যাত মনীষী এবং মহামানব আবু ইসহাক এর প্রাথমিক জীবন সম্পর্কে আশা করি তাদের এই প্রাথমিক জীবন সম্পর্কে জেনে আপনার অনেক উপকৃত হবেন। আবু ইসাকের জন্মস্থান এবং কত সালে জন্মগ্রহণ করেন জন্ম: ১ নভেম্বর, ১৯২৬ ইংরেজি; ১৫ কার্তিক, ১৩৩৩ বাংলা)।এই বিখ্যাত মনীষী তৎকালীন মাদারীপুর জেলার বর্তমান শরীয়তপুর জেলার অন্তর্গত নড়িয়া থানা দিন শ্রীরঙ্গল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এই প্রতিযশা  ব্যক্তি।এই বিখ্যাত মানুষের হাতে গড়ি হয় ১৯৪৬ সালের ২০ বছর বয়সে সূর্য দীঘল সাহিত্য কর্মের হাত ধরে। তিনি এমন একটি অসাধারণ সাহিত্য তৈরি করছেন যারে যুগ থেকে যুগান্তরে ছড়িয়ে পড়েছে।এই উপন্যাসটি ১৯৫৫ সালে কলকাতায় প্রকাশিত হয় এবং তিনি সরকারের বিভিন্ন উচ্চপদস্থ জায়গায় কর্মরত থাকেন এবং তিনি আর তার জ্ঞানগর্ভ দ্বারা তিনি সমাজের অনেক আর নিপীড়িত জনগণের আশা ভরসা স্থল ছিল বলে আমরা জানতে পারি। তাই এই প্রতিযোগিতার ব্যক্তি সম্পর্কে অবশ্যই আমাদের সবকিছু জানতে হবে এবং আমরা জেনে তার এই সবগুলো বলির আতর ঘর হিসাবে তৈরি যে তিনি করেছেন সেগুলো আমাদেরকে কাজে লাগাতে হবে।

সাহিত্যিক আবু ইসহাক এর স্ট্যাটাস

 

এই অসাধারণ গুণের ব্যক্তিটি ১৯৬০ সালে করাচি বিশ্ববিদ্যালয় তার পড়ালেখা সমাপ্ত করেন এবং সেখানে তিনি তার বিশেষ প্রতিবার গুণাবলী দ্বারা সবার মনে আকর্ষণ করেন এবং তিনি সবার প্রিয়ভাজন হয়ে ওঠেন বলে আমরা আশা করি। এই অসাধারণ ব্যক্তি এটি তার সাহিত্যকর্মের দ্বারা পুরো মানবজাতিরা মনে প্রাণে স্থান করে নিয়ে আছে।অসাধারণ এই সাহিত্যিক আবুল হিসেবে অসাধারণ কিছু স্ট্যাটাস আমরা আপনাদের সামনে তুলে ধরবো আশা করি সেই স্ট্যাটাস গুলো আপনারা কখনো পড়েনি এবং জানতে পারেনি আমাদের এই প্রতিবেদনটির মাধ্যমে আপনারা জানতে পারতেছেন বিশিষ্ট মানুষের স্ট্যাটাস গুলো –

> ভাতের লড়াইয়ে হেরে যায় তারা। অতীতের কান্না চেপে, চোখের জল মুছে তারা আসে, কিন্তু মানুষের চেহারা নিয়ে নয়। শিরদাঁড়া বেঁকে গেছে, পেট গিয়ে মিশেছে পিঠের সাথে। … তবুও তারা ভাঙা মেরুদণ্ড নিয়ে সমাজ ও সভ্যতার মেরুদণ্ড সোজা করে ধরবার চেষ্টা করে। … পঞ্চাশের মন্বন্তরে হোঁচট খাওয়া দেশ আবার টলতে টলতে দাঁড়ায় লাঠি ভর দিয়ে।

>  সূর্য দীঘল বাড়ি, আবু ইসহাক

> বাপজান, তোমার মা তোমারে অনেক আদর করে?

ছোট ছেলেটি উত্তর দিলো- আমার ‘মা’ নাই ।

>  সূর্য দীঘল বাড়ি, আবু ইসহাক।

সাহিত্যিক আবু ইসহাক এর বানী

 

প্রিয় শ্রোতাবৃন্দ আজকে আমরা বিশিষ্ট সাহিত্যিক আপু বিষয়ক সম্পর্কে নানান তথ্য তুলে ধরতে তথ্য গুলোর মাধ্যমে আশা করি আপনারা অনেক উপকৃত হবেন এবং আপনারা অবহিত সম্বন্ধে জানতে পারবেন এখন আমরা অনেক বাঙালি রয়েছে যারা এই বিশিষ্ট সাহিত্যিক সম্পর্কে জানি না বা তার জ্ঞান রাখি না।এটা দুঃখজনক হলেও সত্যি আমরা আজকে কোন পথে হাঁটছি এবং আমরা আজকে কোন পথে চলছি আমরা সুশিক্ষার শিক্ষিত হতে পারেনি আমরা আমাদের কারিগর এই শিক্ষার মাধ্যমে আমরা যতটা আমরা এগিয়েছি কিন্তু আমরা আমাদের সামাজিক চিন্তাভাবনার ক্ষেত্রে আমরা ততটাই এগিয়ে যেতে পারেনি আমরা যদি শিখতে অর্জন করি চাকরি-বাকরি করার জন্য কিন্তু সেটা আদৌ ঠিক নয়। আমাদের ইতিহাস ঐতিহ্য এবং এদেশের মনীষীদের সম্পর্কে জানতে হবে তা না হলে আমরা আমাদের শিক্ষার আলোড়নকে আমরা আমাদের পরিবার আত্মীয়-স্বজন এবং সন্তান-সন্ততির মাঝে ছরিয়ে দিতে পারব না। আপনার আজকে প্রিয় আবু ইসহাক সম্পর্কে সমস্ত একটি তথ্য জানতে পারবেন এবং এর একটি বাণী অসাধারণ সেটা আপনার দেখতে পারতেছেন –

> লাঠির জোরে মাটি, লাঠালাঠি কাটাকাটি, আদালতে হাঁটাহাঁটি, এই না হলে চরের মাটি, হয় কবে খাঁটি” –

> পদ্মার পলিদ্বীপ, আবু ইসহাক

> জীবন রক্ষা করাই ধর্মের প্রথম ও শ্রেষ্ঠ মূলমন্ত্র।

> সূর্য দীঘল বাড়ি, আবু ইসহাক।

সাহিত্যিক আবু ইসহাক এর উক্তি

 

আমরা আমাদের এই প্রতিগত শিক্ষার বাইরে গিয়ে পুরো পৃথিবীতে জানতে হবে এবং আমাদের শিক্ষার দ্বারা মুক্ত করবে এবং আমরা শিক্ষা অর্জন করার জন্য যদি শুধুর চীন পর্যন্ত  যেতে হয় সেটাও যেতে হবে। তাই আমাদের জ্ঞানের ভান্ডার কে আমরা সমৃদ্ধ করার জন্য সবকিছু করব কিন্তু আমরা খুব মনযোগ হয়ে বাড়িতে বসে থাকবো না এবং আমরা পড়ালেখা বাদ দিয়ে আমরা হাত গুটিয়ে বসে থাকবো না। একটি মানুষ জীবনের তখনই মূল স্বাদ পায় যখন সে পৃথিবীর ভালো-মন্দ সম্পর্কে জ্ঞান রাখে এবং শিল্পীটির বিখ্যাত মানুষের সম্পর্কে জানতে চেষ্টা করতে হবে।তাই এখন থেকে আমরা হাত-পা গুটিয়ে মহিলা মানুষের মত বাড়িতে বসে থাকবো না আমরা আমাদের গ্রামকে সমৃদ্ধ করার জন্য আমরা যেখানে যেতে হয় সেখানে যাব এবং যার দ্বারস্থ হতে পারে তার কাছেই যাব তবুও আমাদের প্রাণপণ চেষ্টা থাকবে জ্ঞান অর্জন করা –

> ঐ দিন আরও কয়েকবার মহাপতঙ্গ আসে। বাড়ির ছাদে, ঘরের চালে, গাছের ডালে ছিল যেসব দোপেয়ে দৈত্য তাদের পেটে পুরে কোথায় উধাও হয়ে যায়।

সাহিত্যিক আবু ইসহাক এর ক্যাপশন

 

আপনারা যারা প্রিয় মনীষী আবু ইসহাক সম্পর্কে জানার জন্য আমাদের এই ওয়েবসাইটটি ভিজিট করছেন তাদেরকে অসংখ্য ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি আপনাদের আজকে আমরা জানিয়ে দিব প্রতিবেদনের মাধ্যমে আপনি যাবতীয় তথ্য পেয়ে যাবেন এবং পারিবারিক জীবনের কাজে লাগাতে পারবেন। প্রখ্যাত এই মনীষীর অসাধারণ প্রতিভা ছিল যেগুলো আমরা জানিনা কিন্তু আমাদের জানা গ্রহকে ব্যাকুলতা বানাতে হবে এবং এই জানা গল্পের কাজে লাগিয়ে আমরা বিখ্যাত মন্ত্রী সম্পর্কে জানি আমরা আমাদের জীবনকে প্রভাবিত করতে পারব বলে আশা করি তাই আপনারা যারা বিখ্যাত এই সাহিত্যিকের ক্যাপশন গুলো সার্চ করতেছেন তাদেরকে আর কষ্ট করতে হবে না তারা এখন আমাদের এই পোস্টের মাধ্যমে জানতে পারতেছেন বিখ্যাত সাহিত্যে যাবো হিসাব সম্পর্কে অসাধারণ স্ট্যাটাস -ও ক্যাপশন –

> চড়ুই পাখি দুটোর বিস্ময়ের সীমা নেই। রাতে বাসায় বসে স্ত্রী চড়ুই বলে।

> দোপেয়ে দৈত্যরা তো যেমন তেমন।

সাহিত্যিক আবু ইসহাক এর কবিতা

 

একটা সময় আমরা লক্ষ্য করতাম মানুষ প্রচুর পরিমাণে উপন্যাস কবিতা ছোটগল্প এবং হাস্যর সত্য মূলক যাবতীয় কবিতা পড়তে ছিল। তখন মানুষ বলা যায় কাগজ এবং সংবাদপত্রের মাধ্যমে নিয়ত ছিল কিন্তু দিনক্ষণ পাঠিয়েছে যুগের পরিবর্তনের কারণে আজকে মানুষ আর কবিতা উপন্যাস বাণী এবং প্রবন্ধ করতে ভালোবাসে না এই অনলাইনের যুগে তারা এখন মোবাইল হাতে নিয়ে খারাপ কিছু জিনিস সার্চ করে কিন্তু তারা জানার জন্য হলুদ তারা কখনো খোঁজ করে না এটা বড়ই দুঃখজনক আজকে আমরা কোন পথে হাটতেছি আমাদের জাতি এবং আমাদের বাচ্চাকাচ্চারা কোন পথে যদি তাদের আমাদের বই পড়ার অভ্যাস করে গড়ে তুলতে না পারি তাহলে এই জাতির অবস্থা খুবই খারাপ হবে এবং আগামী দিনগুলোতে আমরা মেধাবী পাবনা এবং ভিধাবি পেলো তারা বিখ্যাত মনীষী সম্পর্কে এত বেশি জানবে না । ভাই আপনারা যারা কষ্ট করে আমাদের এই ওয়েবসাইটটি ভিজিট করেছেন তাদের জন্য বিখ্যাত সাহিত্যে ব্যবহৃত ইশাকের অসাধন একটি কবিতা তুলে ধরতেছি আশা করি ভালো লাগবে –

সাহিত্যিক আবু ইসহাক এর কবিতা

– আবু ইসহাক

অপেক্ষা বুঝি আবার দাড়িয়ে আাছে দরজায়

তোমার প্রতিক্ষায়, জানি না হবে কবে শেষ।

অচেনা এক নাম চেনা মানুষের, ধুর্ত হেয়ালিতে

চলছে স্রোতের মতো, যা বহমান কষ্টের মতো।

আজ সেদিনের কথা মনে পড়ে, বৃষ্টির মতো

নেমেছিল চোখের জল, লতার মতো কমল হাত।

দিনের আলোর গভীরে আছে চাঁদ, তেমনি আছে সে

তাই বুঝি খেলা মেতেছ তুমি, বাড়ছে অপেক্ষা!

পরিশেষে, আপনারা যারা বিখ্যাত সাহিত্যিক আবুল হিসাব সম্পর্কে জানার জন্য আমাদেরও সার্টিফিকেট করেছেন তাদেরকে অসংখ্য ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আমাদের আর্টিকেলটি এখানেই সমাপ্তি ঘোষনা করতেছি ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন আপনাদের দীর্ঘায়ু কামনা করতেছি। এবং আমাদের প্রতিবেদনটি আপনাদের যদি ভালো লেগে থাকে তাহলে লাইক কমেন্ট এবং আমাদের ওয়েবসাইটটি ভিজিট করে পাশে থাকুন সর্বদা ধন্যবাদ সবাইকে আল্লাহ হাফেজ।

 

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *